জিও ও খুচরা ব্যবসাও তৃপ্তিকর বৃদ্ধি দেখিয়েছে; EBITDA ও নেট মুনাফা দেড় অঙ্কের উপরে

এই ত্রৈমাসিকটা যে ব্যতিক্রমী ছিল — সেটা নানা দিক থেকেই স্পষ্ট। মাইক্রো-অস্থিরতা, শক্তি বাজারে আঘাত এবং সরবরাহশৃঙ্খলে বিচ্ছিন্নতার প্রেক্ষাপটে কোম্পানির কার্যক্রম দুর্লভভাবে চালানো গেছে। এসব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও সমগ্র পারফরম্যান্স চমকপ্রদ ছিল বলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।
আর্থিক প্রধান পয়েন্টগুলো:
মোট আয় ২৫% বৃদ্ধি। মূল চালিকা শক্তি ছিল কাঁচা তেলের মূল্যক্রম, তবে জিও (Jio) টপলাইনও ১২% বেড়েছে এবং খুচরা বিভাগও প্রায় ১২% বৃদ্ধি দেখিয়েছে — ফলে বৃদ্ধি কেবল তেল নয়, অন্যান্য ব্যবসাও শক্তিশালী ছিল।
EBITDA—রোগরীতি হিসেবে বিবেচিত—প্রায় Rs.54,000 কোটি ছাড়িয়ে গেছে, যা প্রায় ১০% বাড়তি। নেট মুনাফা প্রায় Rs.23,200 কোটি, যা বছরের তুলনায় ৬% বৃদ্ধি।
কোম্পানি প্রকাশ করেছেন যে পূর্ববর্তী ত্রৈমাসিকে Rs.8,900 কোটি এশিয়ান পেইন্টসের এককালীন আগমন থাকায় তুলনামূলক সংখ্যা সঠিক করতে সেটি ব্যাকড আউট করা হয়েছে।
ব্যবসায়িক সেগমেন্টের পারফরম্যান্স:
O2C (তেল ও রাসায়ন) অংশের রাজস্ব ৩০% বৃদ্ধি। অপারেটিং দিক থেকে O2C-র আয় প্রায় Rs.17,000 কোটি এবং কার্যক্রমিকভাবে ১৭% বৃদ্ধি।
JPL (সম্ভবত জিও প্লাটফর্ম সম্পর্কিত) ১৫% বৃদ্ধি দেখিয়েছে। O2C বিশেষত ১৭% বৃদ্ধি করে 눈에 띄ছে।
ভোক্তা ব্যবসা মোট মিশ্রণে প্রায় ৫০% পুনরায় পৌঁছেছে।
নগদ প্রবাহ শক্তিশালী থাকায় কোম্পানি নিজস্ব নগদ মুনাফা থেকে মূলধনী ব্যয় (capex) অধিকাংশ চালাতে সক্ষম হচ্ছে।
তেলের ব্যবসার বিশ্লেষণ:
উচ্চ ডিস্টিলেট মার্জিন দেখা গেছে; কিছু ক্যাটাগরিতে গত কয়েক বছরে রেকর্ড-সদৃশ ডেল্টা। রাসায়নিক ডেল্টাও তিন-চার বছরের উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এথেন ক্র্যাকিংয়ের সুবিধা বড় ভূমিকা রেখেছে — তেলদামের বাড়তি সত্বেও এথেনের দাম কমার ফলে ক্র্যাকিং থেকে বেশি মূল্যস্ফীত লাভ এসেছে।
তবে কাঁচা তেল আনা ও সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের ঘাটতির প্রেক্ষিতে কাঁচা তেল ল্যাটিন আমেরিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, আফ্রিকা ও রাশিয়া থেকে আনা হয়েছে; ফলে রিফাইনারি প্রায় পূর্ণ ক্ষমতায় চালানো সম্ভব হয়েছিল।
এছাড়া ইউরোপ থেকে নির্গমনকৃত ট্রাফিককে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার বেশি ঘাটতি-শহরে পুনঃনির্দেশ করাও মার্জিনে সহায়ক হয়েছিল।
তারতম্য এবং ক্ষতিপূরণ:
উপার্জনকে প্রভাবিত করেছে SAED (সম্ভবত নির্দিষ্ট অনিশ্চয়তা/খরচ) এবং খুচরা ক্ষেত্রে আন্ডার-রিকভারি (মূল্যপূরণে ঘাটতি)।
পরিকল্পিত টার্নঅরাউন্ড (রক্ষণাবেক্ষণ) থাকায় বিক্রয়ের জন্য উপলব্ধ উৎপাদন ১০% কমেছে, যা আয়কে আংশিকভাবে প্রভাবিত করেছে।
কোম্পানির ভাষ্যে, উত্তেজনাপূর্ণ বাজার বাস্তবতা ও সরবরাহ-দিনে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাই এই ত্রৈমাসিকে তাদের “অব্যাহত” কার্যকারিতা নিশ্চিত করেছে। ভবিষ্যতে কাঁচামালের উৎস বৈচিত্র্য ও পুনর্বিন্যাসের কৌশল বজায় রাখা হবে বলে তারা জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *